- August 16th, 2022
ব্যামোর নাম অতিকথন
বয়স বাড়ছে, ডিমেনশিয়া বোধহয়। স্মৃতিভ্রম। অনেক কিছু ভুলতে চাই, সেগুলো মস্তিষ্কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করে বসে থাকে, অনেক কিছু যা মনে করতে চাই
বয়স বাড়ছে, ডিমেনশিয়া বোধহয়। স্মৃতিভ্রম। অনেক কিছু ভুলতে চাই, সেগুলো মস্তিষ্কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করে বসে থাকে, অনেক কিছু যা মনে করতে চাই
গতকাল বৃহস্পতিবার জয় গোস্বামী ও তাঁর সাম্প্রতিকতম কবিতার বইটি নিয়ে আমার একটি ছোট নিবন্ধ এখানে পোস্ট করেছিলাম।
২০১৬। সে বছর অনাবাসী বাঙালিদের সম্মেলন হয়েছিল সান ফ্রান্সিসকোর সান্টা ক্লারায়। যেদিকে তাকাই, আইটি-জায়ান্টদের বড় বড় অফিস, তথ্যপ্রযুক্তি নগরী।
না রমণীকুলের কাউকে আমি আহ্বান জানাচ্ছি না। দিনকাল এতই খারাপ যে আমি বিরাট কেস খেয়ে যেতে পারি, ‘মি টু’-তে ফেঁসে যেতে পারি,
১৭ বছর বয়স থেকে আমি তাঁকে ‘দাদু’ নামে ডাকি। আমি জানি এই নামে চট করে আপনারা তাঁকে চিনবেন না। চেনার কথাও নয়।
আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সর্বনাশটি যিনি করেছিলেন, তাঁর কথা দিয়েই শুরু করি। লেখাপড়ায় মন্দ ছিলাম না। পকেটে ভারী ডিগ্রি ছিল।
খবরটা কানে এসেছিল আগেই। ঘোড়ার মুখ থেকে শুনিনি বলে বিশেষ একটা উৎসাহ দেখাইনি। অবশেষে দেখলাম ঘোড়া আমাকে ল্যাজের ঝাপটা
আজ দোল পূর্নিমার সকালে শতায়ু আনন্দবাজার রোজকার মতো প্রকাশিত হয়েছে অথচ প্রিন্টার্স লাইনে সম্পাদক হিসেবে অভীক সরকারের নাম নেই।
ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমের দৌলতে আজকাল আর কোনও অনুষ্ঠানে শারীরিক ভাবে উপস্থিত হওয়ার প্রয়োজন হয় না।
পিসির গোঁফ থাকলে বাবারা চার ভাই হতেন, এই জাতীয় আলোচনা অবশ্যই বুরবকের কম্মো। কী হলে কী হতে পারত, ইতিহাস তার ধার ধারে না, যা হয়েছে সেটাকেই কাটাছেঁড়া করা তার কাজ।
বৌ, নাপিত আর দাঁতের ডাক্তার কখনও বদলাতে নেই বলে উপদেশ শুনেছি। ঘাড়ে মাথা একটাই, বৌ বদলের চিন্তাকে প্রশ্রয় দেওয়ার